
তাফসীর আহসানুল বায়ান
সম্পূর্ণ কুরআন মাজীদের বিশুদ্ধ তাফসীরের সহজবোধ্য ও মানসম্মত বাংলা অনুবাদ। তাফসীরটি রচনা করেন শাইখ সালাহুদ্দিন ইউসুফ; আর বাংলা অনুবাদের তত্ত্বাবধান ও সম্পাদনা করেছেন আল-মাজমা‘আ দাওয়া সেন্টারের সম্মানিত দা‘ঈ শাইখ আবদুল হামীদ ফাইযী মাদানী সাহেব।
– উর্দু তাফসীরটি সম্পাদনা করেছেন রাহীকুল মাখতুমের বিশ্বখ্যাত লেখক শাইখ সফিউর রহমান আল-মুবারকপুরীসহ বেশ কয়েকজন আলেম; যা পরবর্তীতে মদীনাস্থ বাদশা ফাহদ কুরআন প্রিন্টিং প্রেস কর্তৃক প্রিন্ট হয়েছে।
– তাফসীরটি উর্দু ভাষায় প্রথম ছাপা হয়েছিল সুবিখ্যাত দারুস সালাম লাইব্রেরীর তত্ত্বাবধানে। তাদের কাছ থেকে বঙ্গানুবাদ ও ছাপার অনুমতি নিয়ে বাংলাভাষী সাউদী বিভিন্ন দাওয়া সেন্টারে কর্মরত বেশ কয়েকজন দা‘ঈ অনুবাদ কর্মটি সম্পন্ন করেন। তারা হলেন,
সফিউর রহমান আর-রিয়াদী, মিরাটস্থ দাওয়া সেন্টারের দা‘ঈ।
মুহাম্মাদ হাশেম মাদানী, আয-যুলফী দাওয়া সেন্টারের দা‘ঈ।
মুহাম্মাদ ইসমাঈল মাদানী, রিমাহ দাওয়া সেন্টারের দা‘ঈ ।
যাকির হোসেন মাদানী, রাবওয়া দাওয়া সেন্টারের দা‘ঈ।
মুসলেহুদ্দীন বুখারী, হারিমলা দাওয়া সেন্টারের দা‘ঈ।
শামসুজ্জোহা রহমানী, তামীর দাওয়া সেন্টারের দা‘ঈ।
হাবীবুর রহমান ফাইযী, আল-মাজমা‘আ দাওয়া সেন্টারের দা‘ঈ।
Original price was: 2400৳ .1500৳ Current price is: 1500৳ .
একই বিষয়ে আরও দেখুন...
রিভিউ এবং রেটিং
আপনার রিভিউটি লিখুন
তাফসীর আহসানুল বায়ান
| 5 star | 100% | |
| 4 star | 0% | |
| 3 star | 0% | |
| 2 star | 0% | |
| 1 star | 0% |






📖 বইয়ের নাম: তাফসীর আহসানুল বয়ান
✍️ মূল রচয়িতা: আল্লামা হাফিজ সালেহউদ্দিন ইউসুফ (রহ.)
🖋️ সম্পাদনা: আব্দুল হামিদ ফাইযী আল-মাদানী
🏢 প্রকাশনা: তাওহীদ পাবলিকেশন, ঢাকা – বাংলাদেশ
🌿 রিভিউ: তাফসীর আহসানুল বয়ান – কুরআনের আলোয় জীবনের পথনির্দেশ
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“এটি এমন এক কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোতে বের করে আনো।” (সূরা ইবরাহীম: ১)
এই আয়াতের বাস্তব রূপ যেন “তাফসীর আহসানুল বয়ান”। এটি শুধু একটি তাফসীর গ্রন্থ নয়; বরং একজন মুসলিমের জীবনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা।
এই বইয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—
✔ কুরআনের আয়াতের সরল ও বিশুদ্ধ ব্যাখ্যা
✔ সহীহ হাদিসের আলোকে তাফসীর
✔ সালাফে সালেহীনের নির্ভরযোগ্য মতামত
✔ বিদআত ও ভুল আকীদা থেকে সতর্কতা
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে ব্যক্তি, যে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শেখায়। (সহীহ বুখারী)
এই হাদিসের বাস্তব প্রয়োগ হিসেবে এই তাফসীর গ্রন্থটি পাঠককে কুরআনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে সাহায্য করে, যেন আমরা শুধু তিলাওয়াতেই সীমাবদ্ধ না থাকি, বরং কুরআনকে জীবনের পথে বাস্তবায়ন করতে পারি।
বর্তমান সময়ে অনেক তাফসীর গ্রন্থ জটিল ভাষা ও দর্শনভিত্তিক ব্যাখ্যায় ভরা। কিন্তু আহসানুল বয়ান সহজ, প্রাঞ্জল ও দলিলভিত্তিক—যা সাধারণ মুসলিম থেকে আলেম সবাই উপকৃত হতে পারেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি; আছে কি কেউ উপদেশ গ্রহণকারী?”
(সূরা ক্বামার: ১৭)
এই আয়াতের জীবন্ত প্রমাণ হলো এই তাফসীর। এটি হৃদয় স্পর্শ করে, ঈমান বাড়ায়, আমল সংশোধন করে এবং মানুষকে কুরআনের সাথে গভীরভাবে যুক্ত করে।
✨ সংক্ষেপে বললে:
তাফসীর আহসানুল বয়ান হলো—
ঈমান জাগ্রত করার একটি আলো
কুরআনের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করার একটি সেতু
ভুল ব্যাখ্যার যুগে একটি নিরাপদ আশ্রয়
প্রত্যেক মুসলিম পরিবারে এই বই থাকা মানে—ঘরে কুরআনের নূর প্রবেশ করা।
📚 প্রকাশনায় কৃতজ্ঞতা:
তাওহীদ পাবলিকেশন, ঢাকা – বাংলাদেশ, যারা নির্ভরযোগ্য ইসলামী বই প্রকাশের মাধ্যমে উম্মাহর জন্য নিরবচ্ছিন্ন খেদমত করে যাচ্ছেন।
আল্লাহ তাআলা এই বইকে পাঠক, লেখক ও প্রকাশক—সবার জন্য সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚
পারিবারিক লাইব্রেরি নিয়ে কিছু অনুপ্রেরণামূলক উক্তি নিচে দেওয়া হলো, যা পরিবারের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান ও বইপড়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলার গুরুত্বকে তুলে ধরবে ইনশাআল্লাহ।
১. “একটি পরিবার যেখানে বই পড়ে, তা কেবল ঘর নয় — তা একটুকরো জান্নাতের পথে যাত্রা।”
২. “পারিবারিক লাইব্রেরি মানে ঘরে ঘরে জ্ঞান ও নৈতিকতার বাতিঘর।”
৩. “শিশুরা যা দেখে, তা শিখে — ঘরে যদি কুরআন, হাদীস ও ইসলামী বই থাকে, তারাই হবে তাদের প্রথম শিক্ষক।”
৪. “পারিবারিক লাইব্রেরি শুধু বইয়ের স্তূপ নয়, বরং তা একটি প্রজন্মকে আলোর পথে চালানোর সূচনা।”
৫. “যে ঘরে ইসলামী বই থাকে, সে ঘরে ইমান জাগে, আদর্শ গড়ে ওঠে।”
৬. “মজবুত ভবিষ্যতের জন্য চাই মজবুত নৈতিক শিক্ষা — শুরু হোক তা পরিবারের নিজস্ব লাইব্রেরি থেকে।”
৭. “টিভি নয়, মোবাইল নয় — ঘরে ঘরে ইসলামী লাইব্রেরি গড়লে সময় হবে বরকতময়।”
৮. “একটি পারিবারিক লাইব্রেরি হলো এমন একটি দোয়া, যা প্রতিটি পাতা উল্টালেই কবুল হয়।
➤➤”তোমার সবচেয়ে উত্তম সঙ্গী হলো কিতাব।”
➤➤”বই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ আত্মীয়, যার সঙ্গে কোন দিন ঝগড়া হয় না।”
➤➤”একটি ভাল বই আজকের এবং ভবিষ্যতের বন্ধু।”
➤➤”ঘরের কোনো আসবাব পত্র বইয়ের মতো সুন্দর নয়।”
➤➤”বই ছাড়া একটি কক্ষ আত্মা ছাড়া দেহের মতো।”
➤➤”একটি বই পড়া মানে হলো একটি সবুজ বাগানকে পকেটে নিয়ে ঘোরা”।
➤➤”আমার মধ্যে যদি উত্তম বলে কিছু থাকে, তবে আমি বই-এর কাছে ঋণী।’
➤➤আস্সাহেব খুব কিতাব ভালোবাসতেন। কিতাব কিনতে কিনতে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, তা কোথাও বহন করার দরকার হলে ৪০০ উঁট লাগত। (আসসিয়ার ১৬/৫১৩।)
➤➤শায়খ আহমদ হাজ্জার কিতাব খুব ভালোবাসতেন। একদিন এক জায়গায় একটি কিতাব বিক্রি হতে দেখলেন। কিন্তু তাঁর নিকট দিরহাম ছিল না। তাঁর দেহে যে লেবাস ছিল তার কিছু বিক্রি করে সাথে সাথে সে কিতাবটি খরীদ করেছিলেন। (উলুউবুল হিম্মাহ ১৯১পৃ.।)
➤➤যুবাইর বিন আবী বাকর বলেন, ‘একদা আমার ভাগ্নী আমার স্ত্রীকে বলল, আমার মামা মামীর পক্ষে কত ভালো মানুষ; মামীর ওপর সতীন আনেনি, আর কোন দাসীও ক্রয় করেনি। তা শুনে স্ত্রী তাকে বলল, ‘আল্লাহর কসম, এই বইগুলো আমার পক্ষে তিনটে সতীনের চেয়েও অধিক কঠিন! (আল-জামে’ লিআখলাকির রাবী আদাবিস সামে’ ১/৯৯।)
➤➤আল্লামা আলবানী নিজের দোকান বন্ধ করে যাহেরিয়া পাঠাগারে ১২ ঘণ্টা কিতাব মুতালাআহ করতেন। (ইতহাফুল ইখওয়ান বিআহাম্মিয়াতিল ক্বিরাআহ ১২-১৪পৃ.)
➤➤❝তোমার বাড়িতে এমন একটি জায়গা থাকুক যেখানে তুমি একাকী থাকবে, তোমার বইয়ের লাইনগুলোর সাথে কথা বলবে এবং তোমার চিন্তার ময়দানে বিচরণ করবে।❞
📚ইমাম ইবনুল জাওযী (৫৯৭ হি.)[সাইদুল খাতির]
➤➤রাতে সামান্য সময় জ্ঞান চর্চা করা সারা রাত্রি জাগরণ [তথা সালাত আদায়] করার চেয়ে উত্তম।
সাহাবী ইবনু আব্বাস [رضي الله عنه] হতে বর্ণিত,
📚 [সহীহ, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১০৭; বাইহাকী, আল মাদখাল নং ৪৫৯]
➤➤রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “নিশ্চয়ই প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির উপর জ্ঞান অর্জন করা ফরয।”
[সহীহ তারগিব ওয়াত তাহরিব :হাদিস নং ৭২]
➤➤“যে ব্যক্তি জ্ঞান অনুসন্ধানের জন্য কোনো পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন।”— (সহীহ মুসলিম: ২৬৯৯)
➤➤একজন ব্যক্তির উচিত ভয় করা যে, তার জীবনের একটি দিন শেষ হয়ে গেছে অথচ সে সেদিন কিছুই শিখেনি (ধর্মীয় জ্ঞানের অন্তত একটি মাসআলাও না)।
(শায়খ আব্দুর্ রাজ্জাক আল-বদর হাফি:)
☞☞সৌরভ ছড়াতে বইয়ের সাথে সম্পর্ক রাখুন আপনার চারপাশ সুরভিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
✒️ মোহাম্মদ সাইদুর রহমান সাঈদ