
আল্লাহর সান্নিধ্য লাভে ইবাদত গুরুত্ব ও তাৎপর্য
মানুষ দাসত্ব বা আনুগত্যের সহজাত প্রবৃত্তি নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। সে কারণে মানুষ অন্তিমকাল পর্যন্ত এমন এক সত্তাকে অনুভব করে যিনি সবকিছুর নিয়ন্ত্রক, ধারক-বাহক, রক্ষক, প্রতিপালক এবং যিনি ভাল-মন্দ করার বা সেটা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখেন। এই অসীম শক্তিধর মহান সত্তার একক রাজত্বে পৃথিবী ও অন্তরীক্ষের সমস্ত সৃষ্টিকূল স্বেচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় তাঁর পদ তলে নত মস্তক হয়। তিনিই হ’লেন মহা পরাক্রমশালী মালিক আল্লাহ তা’আলা। তাঁর আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশই হ’ল ইবাদত।
ইবাদত কেবল কতগুলি আচার-অনুষ্ঠান বা নিয়মতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং জীবনের সকল কাজে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর আনুগত্য ও রাসূলের অনুসরণই হচ্ছে ইবাদত। কিন্তু বর্তমানে মানুষ ইবাদতকে সুনির্দিষ্ট কিছু আনুষ্ঠানিকতার ফ্রেমে আবদ্ধ করে ফেলেছে। এটা ইবাদত সম্পর্কে অজ্ঞতা ও ভুল ধারণার নামান্তর। ব্যক্তি, সমাজ দেশ ও জাতির মঙ্গলের জন্য সর্বোপরি দুনিয়ার উন্নতি-অগ্রগতি ও স্থায়িত্ব ইবাদত পালনের মধ্যেই নিহিত। সেজন্য ইবাদত সম্পর্কে জানতে এবং তা সঠিকভাবে আদায় করতে জ্ঞানার্জন করা প্রয়োজন। কেননা মানুষকে মানবতার সর্বোচ্চ মার্গে পৌঁছতে, জীবনের সকল স্তরে উন্নতির শীর্ষে আরোহণ করতে যেমন জ্ঞানার্জনের বিকল্প নেই, তেমনি ইবাদতকে যথাযথভাবে আদায় করতে, সেটাকে সার্বিক সুন্দর ও কবুলযোগ্য করতে ইবাদত সম্পর্কিত জ্ঞানার্জন ব্যতীত দ্বিতীয় কোন পথ নেই।
সুতরাং যারা ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে জান্নাতুল ফেরদাউসের অধিবাসী হ’তে চান- বইটি তাদের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।
একই বিষয়ে আরও দেখুন...
রিভিউ এবং রেটিং
আপনার রিভিউটি লিখুন
আল্লাহর সান্নিধ্য লাভে ইবাদত গুরুত্ব ও তাৎপর্য
| 5 star | 0% | |
| 4 star | 0% | |
| 3 star | 0% | |
| 2 star | 0% | |
| 1 star | 0% |
Sorry, no reviews match your current selections


















