
নূরানী কুরআন মাজিদ
কেন এ কুরআন মাজীদের প্রয়োজনিয়তা এতো বেশি আপনি যে বয়সেরই হোন না কেন, কুরআন মাজীদ বিশুদ্ধ তিলাওয়াত অতিব জরুরী। আর বিশুদ্ধ তিলাওয়াত করতে গেলে কোথায় ‘ইখফা’ করবেন, কোথায় ‘গুন্নাহ’ হবে কিংবা কোথায় ‘ইদগাম’ ও ‘ইদগাম মীম সাকিন’, ‘ক্বলব’ এবং কোথায় ‘ক্বলক্বলাহ’ হবে তার স্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেয়া আছে এই কুরআনে। এছাড়াও বয়স কম/বেশি, কিংবা শ্বাস ছোট অথবা বড়Ñ আয়াত এক দমে পড়া যায় না। বড় আয়াতের মধ্যখানে কোনো বিরতি চিহ্ন না থাকায় তা কীভাবে থামবেন এবং পুনরায় কীভাবে মিলিয়ে পড়বেনÑ তারও দিক নির্দেশনা দেয়া আছে এই কুরআনে। আর এর সুবিধা হচ্ছে, তিলাওয়াত কালে অর্থও ঠিক থাকবে। শুনতেও ভালো লাগবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাও পছন্দ করবেনÑ ইনশাআল্লাহ। মুখস্থ পড়তে গিয়ে একই আয়াত মুশাবাহাহ্ লেগে যায়? ৭ পারায় তিলাওয়াত চলাকালে ২৬ পরায় যাওয়ার মতো সমস্যার সমাধান রয়েছে এই কুরআনে। এর পাতায় পাতায় আয়াতের মুশাবাহাহ্গুলো লেখা রয়েছে। কোথায় প্যাঁচ লাগতে পারে, তার উল্লেখ রয়েছে এই নুসখায়। ফলে মুশাবাহাহ্ লাগবে না ইনশাআল্লাহ। আন্তর্জাতিক অথবা জাতীয় প্রতিযোগিতা কিংবা স্বলাতে বা যেকোন অনুষ্ঠানে তিলাওয়াত করতে হলে পড়া চাই এই তাহফীযুল কুরআনিল মাজিদ। অর্থ না জানলেও তিলাওয়াত শুরু ও শেষ করা যাবে নির্ভুলভাবে। কেননা কুরআনের বিষয়ভিত্তিক প্যারাগুলো চিহ্নিত করা আছে এই তাহফীযুল কুরআনে।
রিভিউ এবং রেটিং
আপনার রিভিউটি লিখুন
নূরানী কুরআন মাজিদ
Sorry, no reviews match your current selections















